বাংলাদেশ , শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সাপাহারের এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানকে দুদক চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফয়সল, নাকি নতুন মুখ? কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকট, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন আন্তঃইউনিয়ন ফুটবলে পরানপুরের জয়, ভালাইনকে হারাল ৪-২ গোলে রাজশাহী সীমান্তে ভারতীয় মাদক জব্দ, বিজিবির পৃথক অভিযান গাজীপুর জজ কোর্টের সামনে দুই আইনজীবীর ওপর হামলা, পরোয়ানা জারি কালিয়াকৈরে আনসার বাহিনীর সংস্কার: ৪.৫ লাখ সদস্যকে নতুন প্রশিক্ষণ চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা উধাও, গ্রেপ্তার ২ ময়মনসিংহে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মান্দায় ডাসকোর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, রোপণ হবে ৩ হাজার চারা
সর্বাধিক পঠিত
সাপাহারের এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানকে দুদক চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফয়সল, নাকি নতুন মুখ? কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকট, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন আন্তঃইউনিয়ন ফুটবলে পরানপুরের জয়, ভালাইনকে হারাল ৪-২ গোলে রাজশাহী সীমান্তে ভারতীয় মাদক জব্দ, বিজিবির পৃথক অভিযান গাজীপুর জজ কোর্টের সামনে দুই আইনজীবীর ওপর হামলা, পরোয়ানা জারি কালিয়াকৈরে আনসার বাহিনীর সংস্কার: ৪.৫ লাখ সদস্যকে নতুন প্রশিক্ষণ চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা উধাও, গ্রেপ্তার ২ ময়মনসিংহে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মান্দায় ডাসকোর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, রোপণ হবে ৩ হাজার চারা

পটুয়াখালী মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা: ঈদেও নিরাপদ প্রসব অব্যাহত

পটুয়াখালী জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ঈদের ছুটির মধ্যেও মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রেখে একটি প্রশংসনীয় উদাহরণ স্থাপন করেছে। জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঈদ চলাকালীন সময়ে মোট ২২টি স্বাভাবিক প্রসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ছুটির দিনগুলোতে গর্ভবতী মায়েদের জন্য প্রসবপূর্ব ও প্রসবোত্তর সেবা, নিরাপদ প্রসব এবং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্রাথমিক চিকিৎসাসহ অন্যান্য জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।

রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোট বাইশদিয়ার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, “ঈদের দিনই আমার স্ত্রীর স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্ম হয়েছে। ছুটির মধ্যেও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা চালু থাকায় আমরা দ্রুত চিকিৎসা পেয়েছি। না হলে বড় সমস্যায় পড়তে হতো।”

কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনও বলেন, “ঈদের দিনও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবা চালু থাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেয়েছি। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ।”

পটুয়াখালী জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক (সিসি) ডা. শামসুজ্জামান জানান, “ঈদের ছুটিতেও জেলার আটটি উপজেলার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা চালু রাখা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো এবং নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করা।”

আরেক সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর হোসাইন বলেন, “দুর্গম এলাকার নিম্নআয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।”

জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি), উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সমন্বয়ে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

উক্ত উদ্যোগের মাধ্যমে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমানো এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য। স্থানীয়রা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন, কারণ সময়মতো চিকিৎসা পেয়ে অনেক মা ও শিশু উপকৃত হয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
৭১ সময় দৃশ্য

পটুয়াখালী মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা: ঈদেও নিরাপদ প্রসব অব্যাহত

আপডেটের সময় : ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পটুয়াখালী জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ঈদের ছুটির মধ্যেও মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রেখে একটি প্রশংসনীয় উদাহরণ স্থাপন করেছে। জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঈদ চলাকালীন সময়ে মোট ২২টি স্বাভাবিক প্রসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ছুটির দিনগুলোতে গর্ভবতী মায়েদের জন্য প্রসবপূর্ব ও প্রসবোত্তর সেবা, নিরাপদ প্রসব এবং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্রাথমিক চিকিৎসাসহ অন্যান্য জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।

রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোট বাইশদিয়ার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, “ঈদের দিনই আমার স্ত্রীর স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্ম হয়েছে। ছুটির মধ্যেও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা চালু থাকায় আমরা দ্রুত চিকিৎসা পেয়েছি। না হলে বড় সমস্যায় পড়তে হতো।”

কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনও বলেন, “ঈদের দিনও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবা চালু থাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেয়েছি। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ।”

পটুয়াখালী জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক (সিসি) ডা. শামসুজ্জামান জানান, “ঈদের ছুটিতেও জেলার আটটি উপজেলার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা চালু রাখা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো এবং নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করা।”

আরেক সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর হোসাইন বলেন, “দুর্গম এলাকার নিম্নআয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।”

জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি), উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সমন্বয়ে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

উক্ত উদ্যোগের মাধ্যমে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমানো এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য। স্থানীয়রা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন, কারণ সময়মতো চিকিৎসা পেয়ে অনেক মা ও শিশু উপকৃত হয়েছে।