বাংলাদেশ , শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সাপাহারের এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানকে দুদক চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফয়সল, নাকি নতুন মুখ? কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকট, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন আন্তঃইউনিয়ন ফুটবলে পরানপুরের জয়, ভালাইনকে হারাল ৪-২ গোলে রাজশাহী সীমান্তে ভারতীয় মাদক জব্দ, বিজিবির পৃথক অভিযান গাজীপুর জজ কোর্টের সামনে দুই আইনজীবীর ওপর হামলা, পরোয়ানা জারি কালিয়াকৈরে আনসার বাহিনীর সংস্কার: ৪.৫ লাখ সদস্যকে নতুন প্রশিক্ষণ চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা উধাও, গ্রেপ্তার ২ ময়মনসিংহে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মান্দায় ডাসকোর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, রোপণ হবে ৩ হাজার চারা
সর্বাধিক পঠিত
সাপাহারের এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানকে দুদক চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফয়সল, নাকি নতুন মুখ? কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকট, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন আন্তঃইউনিয়ন ফুটবলে পরানপুরের জয়, ভালাইনকে হারাল ৪-২ গোলে রাজশাহী সীমান্তে ভারতীয় মাদক জব্দ, বিজিবির পৃথক অভিযান গাজীপুর জজ কোর্টের সামনে দুই আইনজীবীর ওপর হামলা, পরোয়ানা জারি কালিয়াকৈরে আনসার বাহিনীর সংস্কার: ৪.৫ লাখ সদস্যকে নতুন প্রশিক্ষণ চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা উধাও, গ্রেপ্তার ২ ময়মনসিংহে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মান্দায় ডাসকোর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, রোপণ হবে ৩ হাজার চারা

বিজয়নগরে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারী গ্রেপ্তার

মস্ত মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬) সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের বড় পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগর থানার একটি দল সোমবার সকালে বড় পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজতে তল্লাশি চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. মামুন। তার বাবার নাম মো. ধানু মিয়া। তিনি বিজয়নগর উপজেলার সেজামুড়া এলাকার বাসিন্দা। অপরজন মো. শাহীন আলম। তার বাবার নাম আব্দুল বাছির। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা। তাদের উভয়ের বাড়ি বিজয়নগর থানা এলাকায়।

অভিযানে উদ্ধার হওয়া ১০ কেজি গাঁজা পুলিশ বিধি অনুযায়ী জব্দ তালিকার মাধ্যমে জব্দ করেছে। এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক পরিবহন, বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মতে, এলাকায় মাদকের বিস্তার ঠেকাতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ। তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

বিজয়নগরে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার এবং দুই মাদক কারবারী গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মামলার তদন্তের মাধ্যমে মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

মাদকবিরোধী অভিযানে এমন উদ্ধার ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
৩২ সময় দৃশ্য

বিজয়নগরে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারী গ্রেপ্তার

আপডেটের সময় : ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

মস্ত মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬) সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের বড় পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগর থানার একটি দল সোমবার সকালে বড় পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজতে তল্লাশি চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. মামুন। তার বাবার নাম মো. ধানু মিয়া। তিনি বিজয়নগর উপজেলার সেজামুড়া এলাকার বাসিন্দা। অপরজন মো. শাহীন আলম। তার বাবার নাম আব্দুল বাছির। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা। তাদের উভয়ের বাড়ি বিজয়নগর থানা এলাকায়।

অভিযানে উদ্ধার হওয়া ১০ কেজি গাঁজা পুলিশ বিধি অনুযায়ী জব্দ তালিকার মাধ্যমে জব্দ করেছে। এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক পরিবহন, বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মতে, এলাকায় মাদকের বিস্তার ঠেকাতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ। তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

বিজয়নগরে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার এবং দুই মাদক কারবারী গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মামলার তদন্তের মাধ্যমে মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

মাদকবিরোধী অভিযানে এমন উদ্ধার ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।